।।লিটল ম্যাগাজিন পেনি ট্রুথ-এর আত্মপ্রকাশ।।
সুশোভন রায়চৌধুরী
বুদাপেস্টের অলিতে গলিতে ঘুরতে ঘুরতে দুই বন্ধু উইল কলিন্স ও কার্স্টেন হার্বার্ট দেখলেন ছোটোখাটো ক্যাফে। ঢুকে অর্ডার করে উইল বলে উঠলো, বড্ড বোরিং লাগছে!
আমরা হয়তো ভাবছি এবার বোধ হয় ছেলেটা খুলে বসবে তার ল্যাপটপ কিংবা আইপ্যাড, নিদেন পক্ষে মোবাইলের মিউজিক অ্যাপ খুলে কানে গুঁজবে হেডফোন ?
না। আসলে উইল ও কার্স্টেন আর পাঁচ জনের থেকে একটু আলাদা। তাঁদের বোরিং লাগলে প্রকাশ করেন লিটল ম্যাগের সংখ্যা। ঘটনাটা কোভিড কালের। লক ডাউনের সময়। উইল থাকে হাঙ্গেরির উত্তর- পূর্ব দিকের এক মফস্বলে। বন্ধু কার্স্টেন থাকে বুদাপেস্ট। লক ডাউনে দেখা হচ্ছে না কারোরই, অগত্যা ফোনেই চলত গল্প গুজব। এরকমই এক টেলিফোনিক কথাবার্তায় তারা ঠিক করলো, লক ডাউনে অসহ্য লাগছে, কিছু একটা না করলেই নয়, সবচেয়ে ভালো একটা পত্রিকার প্রকাশ। উঁহু, শুধুমাত্র হাঙ্গেরিয়ান নয়। পত্রিকা হবে দ্বিভাষিক।
শুরু হলো হাঙ্গেরিয়ান ও ইংরেজির ছোটো গল্প, প্রবন্ধ ও কবিতা সংগ্রহের কাজ। টেলিফোন আর মেইল মারফত যা হয় আর কী। অবশ্য লেখাগুলোর একটা নির্দিষ্ট বিষয় তারা বেঁধেছিল --- ' প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পূর্ববর্তী বুদাপেস্ট '।
বসন্ত ২০২১ এ আত্মপ্রকাশ হয় ' পেনি ট্রুথ' এর। সংখ্যার সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, ' Our magazine aims to receive the spirit of those grand old cafes by providing a forum for thoughtful criticism,essays, poetry and fiction.'
পেনি ট্রুথ- এর যুগ্ম সম্পাদক উইল ও কার্স্টেন তাঁদের পত্রিকার নাম রেখেছে ১৯১৪ তে প্রকাশিত হাঙ্গেরিয়ান লেখক জেনো হেলটাইয়ের উপন্যাস ' জাগুয়ার ' থেকে। এই উপন্যাসে লেখক বুদাপেস্ট কে কেন্দ্র করেই গড়েছিলেন তাঁর প্লট।
পত্রিকার আত্মপ্রকাশ সংখ্যা ছাপা হয়েছে দু'শো কপি।লেখক সূচিতে দেখা যাচ্ছে আমেরিকান লেখক ডায়ানা সেনেকাল ও স্কট বিউচ্যাম্পকে। রয়েছেন হাঙ্গেরিয়ান ঔপন্যাসিক এসটার টি. মোলনার এবং ভাষাবিজ্ঞানী, কবি ও অনুবাদক অ্যাডাম ন্যাডসডি। এঁদের পাশাপাশি রয়েছেন এরকম লেখক যাঁরা তাঁদের আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন এই সংখ্যার মাধ্যমে, যাঁদের নিয়ে উইল ও কার্স্টেন খুবই আশাবাদী।
পত্রিকা দ্বিভাষিক আর একই সঙ্গে প্রতিটা লেখাই হাঙ্গেরিয়ান ও ইংরেজিতে অনুদিত হয়েছে দুই ভাষার পাঠকের কথা মাথায় রেখেই । লেখা তো আছেই, তবে নজর কেড়েছে ডিজাইন লেয়াউট। গ্রাফিক ডিজাইনিং এর সাথে শিল্পকলা ও ফোটোগ্রাফির প্রয়োগ সংখ্যাকে করে তুলেছে আকর্ষণীয়। উপস্থাপনে তাঁরা আনতে চেয়েছেন নস্টালজিয়া। সম্পাদকীয়র শেষে লেখা হয়েছে, ' beside the news bulletins and social media updates, we hope you'll find a reprieve in our old fashioned approach.'
![]() |
| যুগ্ম সম্পাদক উইল কলিন্স,হাতে পেনি ট্রুথ |
আমরা হয়তো ভাবছি এবার বোধ হয় ছেলেটা খুলে বসবে তার ল্যাপটপ কিংবা আইপ্যাড, নিদেন পক্ষে মোবাইলের মিউজিক অ্যাপ খুলে কানে গুঁজবে হেডফোন ?
না। আসলে উইল ও কার্স্টেন আর পাঁচ জনের থেকে একটু আলাদা। তাঁদের বোরিং লাগলে প্রকাশ করেন লিটল ম্যাগের সংখ্যা। ঘটনাটা কোভিড কালের। লক ডাউনের সময়। উইল থাকে হাঙ্গেরির উত্তর- পূর্ব দিকের এক মফস্বলে। বন্ধু কার্স্টেন থাকে বুদাপেস্ট। লক ডাউনে দেখা হচ্ছে না কারোরই, অগত্যা ফোনেই চলত গল্প গুজব। এরকমই এক টেলিফোনিক কথাবার্তায় তারা ঠিক করলো, লক ডাউনে অসহ্য লাগছে, কিছু একটা না করলেই নয়, সবচেয়ে ভালো একটা পত্রিকার প্রকাশ। উঁহু, শুধুমাত্র হাঙ্গেরিয়ান নয়। পত্রিকা হবে দ্বিভাষিক।
শুরু হলো হাঙ্গেরিয়ান ও ইংরেজির ছোটো গল্প, প্রবন্ধ ও কবিতা সংগ্রহের কাজ। টেলিফোন আর মেইল মারফত যা হয় আর কী। অবশ্য লেখাগুলোর একটা নির্দিষ্ট বিষয় তারা বেঁধেছিল --- ' প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পূর্ববর্তী বুদাপেস্ট '।
![]() |
| আত্মপ্রকাশ সংখ্যার প্রচ্ছদ |
বসন্ত ২০২১ এ আত্মপ্রকাশ হয় ' পেনি ট্রুথ' এর। সংখ্যার সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, ' Our magazine aims to receive the spirit of those grand old cafes by providing a forum for thoughtful criticism,essays, poetry and fiction.'
পেনি ট্রুথ- এর যুগ্ম সম্পাদক উইল ও কার্স্টেন তাঁদের পত্রিকার নাম রেখেছে ১৯১৪ তে প্রকাশিত হাঙ্গেরিয়ান লেখক জেনো হেলটাইয়ের উপন্যাস ' জাগুয়ার ' থেকে। এই উপন্যাসে লেখক বুদাপেস্ট কে কেন্দ্র করেই গড়েছিলেন তাঁর প্লট।
পত্রিকার আত্মপ্রকাশ সংখ্যা ছাপা হয়েছে দু'শো কপি।লেখক সূচিতে দেখা যাচ্ছে আমেরিকান লেখক ডায়ানা সেনেকাল ও স্কট বিউচ্যাম্পকে। রয়েছেন হাঙ্গেরিয়ান ঔপন্যাসিক এসটার টি. মোলনার এবং ভাষাবিজ্ঞানী, কবি ও অনুবাদক অ্যাডাম ন্যাডসডি। এঁদের পাশাপাশি রয়েছেন এরকম লেখক যাঁরা তাঁদের আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন এই সংখ্যার মাধ্যমে, যাঁদের নিয়ে উইল ও কার্স্টেন খুবই আশাবাদী।
পত্রিকা দ্বিভাষিক আর একই সঙ্গে প্রতিটা লেখাই হাঙ্গেরিয়ান ও ইংরেজিতে অনুদিত হয়েছে দুই ভাষার পাঠকের কথা মাথায় রেখেই । লেখা তো আছেই, তবে নজর কেড়েছে ডিজাইন লেয়াউট। গ্রাফিক ডিজাইনিং এর সাথে শিল্পকলা ও ফোটোগ্রাফির প্রয়োগ সংখ্যাকে করে তুলেছে আকর্ষণীয়। উপস্থাপনে তাঁরা আনতে চেয়েছেন নস্টালজিয়া। সম্পাদকীয়র শেষে লেখা হয়েছে, ' beside the news bulletins and social media updates, we hope you'll find a reprieve in our old fashioned approach.'
![]() |
| বইয়ের দোকান Irok Boltja |
![]() |
| Gdansk Bookstore and Cafe |








Comments
Post a Comment